ভিন্টেজ, ফ্লোরাল নাকি মিনিমাল: আপনার কেকের স্টাইল বেছে নিনআসল কেকের ছবি দিয়ে ভাব, আকৃতি ও সাজের পার্থক্য দেখুন। কাস্টম কেকের আগে নিজের স্টাইল বোঝাতে পছন্দের তালিকা রাখুন।পড়ুনকুমিল্লার কেক স্টুডিও · ২০২০ থেকে
কুমিল্লায় কাস্টম কেকখেয়ে ফেলার জন্যএকটু বেশিইসুন্দর।
চিনির লিলি, ল্যামবেথ হার্ট, গাঁদা ফুলের হলুদের কেক আর প্রজাপতির ডানা, সবই হাতে পাইপ করা, হাতে আঁকা। তারিখ আর আইডিয়াটা পাঠান, সুন্দর করে বানানোর দায়িত্ব আমার।
কুমিল্লা, বাংলাদেশে কাস্টম কেক। তারিখ, ফ্লেভার, ডেলিভারি ও দাম মারির সাথে নিশ্চিত করুন।






আপনি দেখেন একটা কেক। আমি দেখি চার ঘণ্টার পাইপিং, একটা একটা করে বসানো কয়েকশো মুক্তা, আর কারো জীবনের সেরা একটা দিন।
মারিকেক আর্টিস্ট ও স্বত্বাধিকারী
- ২০২০যে বছর শুরু
- ৪৫৫+নম্বর দেওয়া অর্ডার
- ২০৬কেক এই সাইটে
- ১৩থিম থেকে শুরু করুন
থিম
তেরোটি মুড, এক জোড়া হাত
একটা থিম দিয়ে শুরু করুন, তারপর নিজের মতো করে নিন। যেকোনোটা খুললেই দেখবেন ওই থিমে বানানো সব কেক।
০১ / ১৩
ফ্লোরাল
পিওনি, ডেইজির মালা, টিউলিপ আর ল্যাভেন্ডার, প্রতিটি পাপড়ি হাতে পাইপ করা।
কেকের দেয়াল
এখানের প্রতিটি কেক আসল অর্ডার
বড় করে দেখতে কেকে চাপুন। পছন্দেরগুলো হার্ট চেপে সেভ করুন, তারপর পুরো তালিকাটা এক মেসেজে আমাকে পাঠিয়ে দিন।
পছন্দ আরও নির্দিষ্ট করুন














































































































































































































ডিজাইন স্টুডিও
নিজের কেকটা এঁকে ফেলুন
আকৃতি, রং আর খুঁটিনাটি নিয়ে খেলুন। এটা একটা স্কেচ, প্রতিশ্রুতি নয়, কিন্তু এতে আমি ঠিক বুঝে যাব আপনি কী ভাবছেন।
স্কেচ শুধু আইডিয়ার জন্য। আসল কেকটা পায় আমার পুরো মনোযোগ।
কেকের পেছনে
আমার ব্যস্ততা মানে সুন্দর কেক বানানো
শিল্পের ভান করা রেডিমেড টপার নয়। লিলিগুলো সারারাত শুকায়, গাঁদা ফুল বসে একটা একটা দানা করে, আর প্রতিটা বোর্ডে লেখা হয় হাতে।






- “আমার ব্যস্ততা মানে সুন্দর সুন্দর কেক বানানো।”
- “অতিরিক্ত ভাবনাগুলো কাজে লাগিয়েছি। ওরা সুন্দর কেক বানায়।”
- “এই ছোট্ট কেকটার জন্য কত্ত ধৈর্য লেগেছে!”
- “মানুষের জীবনের সেরা দিনগুলোর অংশ হতে পারি, এর জন্য চিরকৃতজ্ঞ।”
- “আপনি দেখছেন একটা কেক। আমি দেখছি আমার জীবনের চার ঘণ্টা, এত সুন্দর হয়ে আছে।”
- “খেয়ে ফেলার জন্য একটু বেশিই সুন্দর।”


শিল্পী
হাই, আমি মারি
আমি আগে একজন শিল্পী। ২০২০ সালে কিছু ক্যানভাসের বদলে কেক বেছে নিই, আর তা থেকেই Cumilla’s Cake। প্রতিটি অর্ডারের ডিজাইন আমি নিজে করি, পাইপিং, আঁকা আর লেখা সবই আমার নিজের হাতে।
আমি এমন অনুরোধ ভালোবাসি যেখানে অনুভূতি থাকে: কেকটা কার জন্য, সে কী ভালোবাসে, শুধু আপনারা দুজনই বোঝেন এমন কোনো রসিকতা। এগুলো আর একটা তারিখ দিন, সুন্দর অংশটা আমার।
অর্ডারের নিয়ম
মেসেজ থেকে কেক, চারটি ধাপে
- ০১বেছে নিন বা ছবি পাঠান
কেকের দেয়াল থেকে বাছুন, পছন্দেরগুলো সেভ করুন, কিংবা ভালো লাগা কোনো ছবি পাঠান।
- ০২খুঁটিনাটি মেসেজ করুন
তারিখ, সাইজ, ফ্লেভার আর কী লেখা হবে। নিচের ফর্মটা পুরোটা আপনার হয়ে লিখে দেয়।
- ০৩দাম জেনে কনফার্ম করুন
আমি দাম আর ডিজাইনের নোট পাঠাব। কনফার্ম করলেই তারিখটা আপনার।
- ০৪নিয়ে যান বা ডেলিভারি নিন
আপনার দিনের জন্যই বানানো কেক, বাক্সে ভরে তাজা অবস্থায়, ছবির জন্য একদম তৈরি।
কুমিল্লার যেসব এলাকায় ডেলিভারি দিই
- কুমিল্লা শহর
- কুমিল্লা সেনানিবাস
- পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড
- চান্দিনা
- লালমাই
- আপনার এলাকা নেই? জিজ্ঞেস করুন।
আগে থেকে বুক করুন
আপনার ডিজাইনের সময়, খালি তারিখ ও প্রস্তুতির প্রয়োজন মারির সাথে নিশ্চিত করুন। ব্যবস্থা করার আগে তারিখ ও রেফারেন্স পাঠান।
কুমিল্লায় কোথায় কাস্টম কেক অর্ডার করা যায়?
এখানেই। Cumilla’s Cake কুমিল্লার একটি কাস্টম কেক স্টুডিও, ২০২০ থেকে কেক আর্টিস্ট মারি চালাচ্ছেন। এই সাইটে কেকগুলো দেখুন, তারপর তারিখ, সাইজ আর আইডিয়া পাঠান Instagram, Facebook Messenger বা ইমেইলে (cumillascake@gmail.com)। কুমিল্লা শহর, কুমিল্লা সেনানিবাস, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, চান্দিনা আর লালমাইয়ে ডেলিভারি দিই।
কীভাবে কেক অর্ডার করব?
তারিখ, সাইজ আর একটা ছবি বা আইডিয়া লিখে আমাকে WhatsApp, Instagram, Facebook বা ইমেইলে জানান। এই পেজের অর্ডার ফর্মটা পুরো মেসেজটা আপনার হয়ে লিখে দেয়। আমি দাম আর ডিজাইনের খুঁটিনাটি জানাব, আপনি কনফার্ম করলেই তারিখটা বুক হয়ে যাবে।
কত দিন আগে অর্ডার করা উচিত?
আপনার ডিজাইনের সময়, খালি তারিখ ও প্রস্তুতির প্রয়োজন মারির সাথে নিশ্চিত করুন। ব্যবস্থা করার আগে তারিখ ও রেফারেন্স পাঠান।
ডেলিভারি দেন? কোন কোন এলাকায়?
হ্যাঁ, কুমিল্লার মধ্যে: কুমিল্লা শহর, কুমিল্লা সেনানিবাস, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, চান্দিনা, লালমাই আর আশেপাশে। অর্ডারের সময় এলাকার নাম বলবেন, দামের সাথে ডেলিভারির ব্যাপারটাও জানিয়ে দেব।
একটা কাস্টম কেকের দাম কত?
সাইজ, আকৃতি আর কতটা হাতের কাজ লাগবে তার ওপর নির্ভর করে। একটা চিনির লিলি বা হলুদের ছবি আঁকতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাগে। আইডিয়াটা পাঠান, আন্দাজে নয়, একদম সঠিক দাম জানিয়ে দেব।
Pinterest-এ দেখা কোনো কেক বানিয়ে দিতে পারবেন?
পাঠিয়ে দিন! ওটাকে শুরুর জায়গা ধরে আপনার রং আর আপনার কথা দিয়ে আমার নিজের স্টাইলে বানাব, যাতে কেকটা নকল না হয়ে আপনার নিজের হয়।
কেকের ওপর বাংলায় লিখে দেবেন?
অবশ্যই। নাম, শুভেচ্ছা বা পুরো একটা লাইন, বাংলা বা ইংরেজিতে, হাতে পাইপ করে। মেসেজে বানানটা একবার মিলিয়ে নেবেন, কারণ আপনি যেভাবে পাঠাবেন আমি ঠিক সেভাবেই লিখব।
কোন কোন সাইজে কেক বানান?
কেক পাউন্ড হিসেবে হয়। মোটামুটি হিসাবে ১ পাউন্ডে ৬–৮ জন খেতে পারেন। ছোট্ট একক কেক থেকে শুরু করে বড় অনুষ্ঠানের জন্য দুই-তিন তলার কেক পর্যন্ত সবই বানাই।
অনুষ্ঠান পর্যন্ত কেক কীভাবে রাখব?
আসল রেসিপি ও সাজের রাখা এবং পরিবেশনের নির্দেশনা মারিকে জিজ্ঞেস করুন। ফ্রিজে রাখা দরকার এমন কেক নিরাপদ ঠান্ডায় রাখুন। খাওয়ার আগে অখাদ্য ফুল, সাপোর্ট ও টপার সরিয়ে নিন।
সাথে থাকুন
প্রতি সপ্তাহে নতুন কেক
নতুন কেক আগে আসে Instagram আর Facebook-এ। পাইপিংয়ের ভিডিও পাবেন TikTok-এ।
চলুন, আপনার কেকটা বানাই
জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, গায়ে হলুদ, কিংবা এমনি একটা মঙ্গলবার যেটা একটা কেক ডিজার্ভ করে। একটা মেসেজ দিন, সুন্দর কিছু পরিকল্পনা করি।